Health Tips

স্বাস্থ্যকর খাবার (Healthy Food)

healthy food

বেঁচে থাকতে চাইলে শুধু খাবার নয় নিয়মিত স্বাস্থ্যকর খাবার (healthy food) খাওয়াও দরকার ,যদি শরীর এবং মনকে সুস্থ সুন্দর ও প্রফুল্ল রাখতে চান তাহলে এই দশটি স্বাস্থ্যকর খাবার আপনার জন্য অবশ্যই প্রয়োজন। সুস্থ থাকার জন্য পুষ্টিকর খাবার খাওয়ার কোন বিকল্প নেই , প্রতিদিনের জন্যই পুষ্টিকর খাবারের তালিকা তৈরি করা উচিত।আমরা জানি খাবার শরীরে শক্তি যোগায় এবং স্বাস্থ্য কে ভালো রাখে। তবে সব খাবারে কিন্তু খাদ্যের প্রধান উপাদান গুলো থাকে না ,অর্থাৎ সব খাবার খেয়ে সুস্থভাবে বেঁচে থাকা যাবেনা। তাই বুঝতেই পারছেন সব খাবার সমানভাবে শক্তি যোগাতে পারে না।

কিছু খাবার আছে যা শরীরের জন্য অনেক উপকারী! আর কিছু আছে তেমন উপকারী না, তাই আমাদেরকে অবশ্যই ভালো উপকারী এবং পুষ্টিকর খাবার গুলো খেতে হবে।

স্বাস্থ্যকর (healthy food) খাবারের গুরুত্ব:

স্বাস্থ্যকর খাবার (healthy food) গুরুত্ব অপরিসীম শরীরের ফিটনেস যথেষ্ট ভালো রাখার জন্য প্রতিদিন স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া উচিত। প্রত্যেকটা ছেলে কিন্তু চাই নিজের স্বাস্থ্যকে ভালো রাখার জন্য কারণ স্বাস্থ্যই হচ্ছে সম্পদ। আপনি যা কিছু করেন না কেন তার পেছনে অবশ্যই আপনার স্বাস্থ্য ভালো থাকতে হবে ,যদি স্বাস্থ্য ই ভালো না থাকে কাজ করার জন্য শক্তি পাবেন না ,মন মেজাজ ফুরফুরে থাকবে না , ফলে কোন কাজে সঠিকভাবে সম্পন্ন করতে পারবেন না। সুস্থ সুন্দর জীবনের জন্য সবারই স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া প্রয়োজন তবে বিশেষভাবে ছেলেদের ই বেশি করে খাওয়া প্রয়োজন। কারণ নারীর চেয়ে একটা পুরুষ পর্যাপ্ত পরিমাণে বেশি কাজ করে থাকে, জীবিকার তাগিদে ছেলেদের প্রায় সবসময়ই বাইরে থেকে পরিশ্রম করতে হয়।

তাই শরীরের শক্তি যোগাতে মন-মানসিকতা সতেজ রাখতে নিয়মিত পুষ্টিকর ও মানসম্মত খাবার খাওয়া দরকার, মনে রাখতে হবে প্রতিদিনের খাবার তালিকায় খাদ্যের ছয়টি উপাদান থাকা উচিত যেমন- শর্করা স্নেহ, প্রোটিন, ভিটামিন, খনিজ ও পানি। এমন খাবারগুলো খাওয়া উচিত নিয়মিত ,যেখানে এই উপাদানগুলো যথেষ্ট পরিমাণ বিন্দাবন থাকে। ফলে শরীর স্বাস্থ্য ভালো থাকবে, যদি আপনি সুস্বাস্থ্যের অধিকারী হতে চান শরীর ভালো রাখতে ও ফিটনেস উপযুক্ত রাখতে চান প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় এই দশটি স্বাস্থ্যকর খাবার রাখা আবশ্যক।

 

 দুধ

 গরুর দুধ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি পানি ও খাবার এটি শরীরের শক্তি যোগাতে বিরাট অবদান রাখে। কিন্তু দুঃখের বিষয় হচ্ছে এখনো অনেক মানুষ আছে যারা দুধ খেতে পছন্দ করেন না বা নিয়মিত খাচ্ছে না। আমরা যতগুলো খাবার দেখেই তার মধ্যে অন্যতম পুষ্টিকর খাবার হচ্ছে দুধ, দুধের যথেষ্ট উপকারিতা আছে যা যেকোনো বয়সের লোকের জন্য আবশ্যক ও কার্যকারী। প্রতিদিন দুপুরে খাবারের পর বা বিকেলে এক গ্লাস গরুর দুধ খেতে পারলে এক নিমিষে সব ক্লান্তি চলে যায়। এতে রয়েছে অনেক পুষ্টিগুণ যেমন- ক্যালসিয়াম, পটাশিয়াম, ফসফরাস, প্রোটিন, ভিটামিন এ, ভিটামিন ডি, ভিটামিন বি-১২ ,নিয়াসিন , কোলেস্টেরল ও রিবোফ্লভিনস আরো অনেক উপাদান। শরীরে ক্যালসিয়াম না থাকলে সহজেই দুর্বল হয়ে যাবেন। 

 এটিতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম। যা শরীরকে সতেজ ও দুর্বলতা দূর করতে সাহায্য করে, তাই সবার বিশেষ করে ছেলেদের জন্য প্রতিদিনের স্বাস্থ্যসম্মত খাবারের (healthy food) তালিকায় প্রথমেই দুধ কে রাখা উচিত এবং অবশ্যই নিয়মিত খাবার খাওয়ার চেষ্টা করা উচিত।

দুধ এর প্রধান প্রধান উপকারিতা:

  • মাংসপেশি গঠনে বিরাট ভূমিকা রাখে।
  • শরীরে এনার্জি বাড়াতে সহায়তা করে 
  • পাকস্থলী পরিষ্কারের পাশাপাশি রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি করে

ডিম

ডিম বাংলাদেশের সব সময় পর্যাপ্ত পাওয়া যায় বলে এটি খুবই জনপ্রিয় একটি খাবার কিন্তু বর্তমানে বেশিরভাগ ছেলে মেয়েই অপছন্দ করে অথচ তারা জানেনা ডিমের উপকারিতা সম্পর্কে। একটি সেদ্ধ ডিমে রয়েছে- অনেক পুষ্টিগুণ যেমন- শক্তি, শর্করা, স্নেহপদার্থ ,প্রোটিন, ভিটামিন এ, কার্বোহাইড্রেট ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম, পটাশিয়াম, সহ আরো অনেক কার্যকরী উপাদান যা শরীর ভালো রাখার জন্য খুবই দরকার।

একটা বাড়তি বয়সের ছেলে মেয়ের প্রতিদিনের খাবারের তালিকায় ডিম রাখা অপরিহার্য। প্রতিদিন সকালে একটা পূর্ণ সেদ্ধ ডিম খেতে পারলে অনেক উপকার পাওয়া যায়, সেদ্ধ ডিম খেলে শরীর দুর্বলতা হ্রস পায়। এবং অনেক ধরনের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় ও স্বাস্থ্য ভাল রাখতে বিরাট সাহায্য করে।

ডিমের প্রধান উপকারিতা:

  • এটি ওজন কমাতে সাহায্য করে।
  • শরীর ব্যথা কমাতে এবং ক্যান্সার প্রতিরোধে ভূমিকা রাখে।
  • হাড় ও দাঁত শক্ত করতে এবং চোখের জ্যোতি বাড়াতে সাহায্য করে।

কলা 

খুব রুচিশীল একটি খাবার হচ্ছে কলা যা বিশ্বব্যাপী জনপ্রিয় একটি ফল । দেশের সব জেলাতেই কলা ১২ মাস পাওয়া যায় এবং এটি স্বল্পদামের একটি খাবার যার ফলে প্রতিদিন দুটি কলা খাওয়া সবার পক্ষে সম্ভব, একটা পাকা কলা তে পুষ্টিগুণে ভরপুর থাকে। প্রতি ১০০ গ্রাম পাকা কলাতে রয়েছে পানি, আমিষ, খনিজ, লবণ, শর্করা, ক্যালসিয়াম, ফসফরাস ,ভিটামিন সি ,ও অল্প ভিটামিন বি কমপ্লেক্স। যেকোনো মানুষের মনকে সতেজ রাখতে এবং শরীরের শক্তি জোগাতে সহায়তা করে কলা।

এছাড়া ত্বক সুস্থ সুন্দর কোমল ও আকর্ষণীয় রাখতে খাবারের মধ্যে সবচেয়ে বেশি অবদান রাখে কলা। এটি স্বাস্থ্যের জন্য খুবই উপকারী, পুষ্টিবিদরা বলে থাকেন দিনে দুটি কলা খাওয়া শরীরের জন্য বেশ উপকারী। অর্থাৎ প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় কলাকেও রাখতে হবে।

কলার প্রধান উপকারিতা:

  • হৃদয় যন্ত্র ভালো রাখে এবং কিডনি সুস্থ রাখে।
  • খাদ্য হজমে সহায়তা করে ও পেট পরিষ্কার করে।
  • মানসিক চাপ কমায় এবং মন ভালো রাখতে সাহায্য করে।

গাজর

সবচেয়ে পুষ্টিকর সবজি গুলোর মধ্যে অন্যতম গাজর কে বলা হয় সুপারফুড। বিশেষ করে শীতকালীন সকল রোগ থেকে মুক্তি পাওয়ার সবচাইতে ভালো সবজি হচ্ছে এটি, যা শরীর স্বাস্থ্য ভালো রাখার জন্য অনেক উপযুক্ত একটি খাবার। আমরা সবাই জানি গাজর কে একটি স্বাস্থ্যকর খাবার (healthy food) হিসেবে এবং অনেকেই নিয়মিত গাজর খেয়ে থাকে, কেনইবা খাবেন না কারণ এটি তে রয়েছে পর্যাপ্ত পুষ্টি।

গাজর কাচা এবং এবং রান্না করেও খাওয়া যায় সালাত বানিয়েও খেতে পারেন অনেকেই, তবে কাঁচা খেতে পারলে ভাল ,অনেক স্বাদ পাওয়া যায় যা রুচি বাড়াতে সাহায্য করে। দিনে একটি গাজর খাওয়ার চেষ্টা করবেন রান্না করে অথবা কাঁচা যেকোন উপায়ে।

গাজরের প্রধান উপকারিতা:

  • দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।
  • ক্যান্সার প্রতিরোধে সাহায্য করে।
  • ত্বক উজ্জ্বল এবং ত্বকের দাগ পড়া থেকে রক্ষা করে‌।

আপেল

স্বাস্থ্যকর খাবারের (healthy food) মধ্যে আপেল অন্যতম সারাবিশ্বেই আপেল একটি জনপ্রিয় এবং সুস্বাদু ফল হিসেবে পরিচিত। প্রায় ৮০ শতাংশ পানি থাকে যা শরীরের জন্য অতি দরকারি। তাছাড়া ভিটামিন, সি ,কে , ই, ক্যালসিয়াম ,আয়রন, ফসফরাস, পটাশিয়াম সহ অনেক ধরনের পুষ্টি গুণ রয়েছে আপেলের মধ্যে। প্রতিদিন একটি আপেল ইচ্ছে করলেই খাওয়া যায় ফলে এটি শরীরের এবং মনকে সতেজ ও শক্তি বাড়াতে ভূমিকা রাখবে। 

আপেলের প্রধান উপকারিতা-

  • ডায়রিয়া এবং কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে।
  • ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ায় এবং দাঁত ভালো রাখে।
  • ওজন কমাতে এবং হজম শক্তি বাড়াতে সাহায্য করে

পেয়ারা

দেশের ফলগুলোর মধ্যে পেয়ারা একটি জনপ্রিয় ও সুস্বাদু ফল বাংলাদেশের সব জায়গাতেই পেয়ারা চাষ হয়ে থাকে প্রায় সবাই পেয়ারা খেতে পছন্দ করে কারণ এটি একটি রুচিশীল খাবার। এছাড়া এতে রয়েছে ভিটামিন এ এবং সি সহ ক্যালসিয়াম, প্রোটিন, এবং আরও নানান খাদ্য উপাদান। কিন্তু তার পরেও আমরা এটি নিয়মিত খাই না, প্রতিদিনের খাবারের তালিকায় পেয়ারাকে রাখা উচিত বিশেষ করে ছেলেদের জন্য এটি দামে খুব সস্তা এবং যত্রতত্র ই পাওয়া যায় , যার ফলে যেকোনো সময় খুব সহজেই সংগ্রহ করে খেতে পারবেন।

পেয়ারার প্রধান উপকারিতা-

  • পেয়ারা ওজন কমাতে সাহায্য করে।
  • চোখের দৃষ্টি শক্তি বৃদ্ধিতে এটি ব্যাপক ভূমিকা রাখে।
  • ডায়াবেটিস এবং ক্যান্সার প্রতিরোধে এটি সক্রিয় ভূমিকা রাখে।

খেজুর

খেজুর স্বাস্থ্যকর খাবারের (healthy food) মধ্যে অত্যন্ত সুস্বাদু ও স্বাস্থ্যকর ও রুচিশীল একটি ফল যার রয়েছে অনেক উপকারিতা ব্যাপক চাহিদা ,প্রতিদিন সকালে অথবা রাতে তিন থেকে চারটা করে খেজুর খেতে পারলে ভালো ফল পাওয়া যায়। যা শরীর স্বাস্থ্য উপযুক্ত রাখার জন্য যথেষ্ট ভূমিকা রাখে, অনেক মানুষ আছেন যারা রমজান মাস আসলেই খেজুর খেতে পছন্দ করেন। কিন্তু এটিতে যে পরিমাণ ভিটামিন, ফাইবার, ক্যালসিয়াম ও আরো অনেক ধরনের পুষ্টি উপাদান রয়েছে, তার জন্য আমাদের নিয়মিতই খেজুর খাওয়া উচিত। যেহেতু এটি সব সময় পাওয়া যায় অবশ্যই ভালো  মানের গুলোই কিনে আনবেন এবং ফরমালিন বা ক্ষতিকর কিছু আছে কিনা সেটা দেখে শুনে নিবেন।

প্রতি ২০০ গ্রাম পরিষ্কার তাজা ও ভালো মানের খেজুরে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি রয়েছে যার থেকে ৪৬০ গ্রাম ক্যালোরি শক্তি পাওয়া যায়, এছাড়া বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও বাড়ায় খেজুর। তাই বুঝতেই পারছেন চার থেকে পাঁচটা খেজুর স্বাস্থ্য ভালো রাখার জন্য কি পরিমান ভূমিকা রাখে? তবে সব সময় ভালো ও অপরিষ্কার খেজুর খাওয়ার চেষ্টা করবেন।

খেজুরের প্রধান প্রধান উপকারিতা:

  • ত্বক ভালো রাখতে এবং দৃষ্টিশক্তি বৃদ্ধি করতে সহায়তা করে।
  • শরীরে প্রচুর শক্তি বাড়াতে সাহায্য করে এবং দুর্বলতা দূর করে।
  • ক্যান্সারসহ অনেক রোগ প্রতিরোধ করতে বিরাট ভূমিকা রাখে।

বাদাম

স্বাস্থ্যকর খাবারের (healthy food) মধ্যে স্বল্প দামী কার্যকরী খাবারের মধ্যে বাদাম সবচেয়ে উত্তম, প্রায় যে কোনো রাস্তাঘাটে ,রেলওয়ে, লঞ্চ, স্টেশনে অথবা পার্কে সবসময় বাদাম পাওয়া যায়। বাদাম আমরা অনেকেই খাই কিন্তু এর গুনাগুন সবাই জানে না, পুষ্টিগুণ এবং শারীরিক উপকারিতা দিক থেকে বাদামের ভূমিকা প্রয়োজনীয়তা অপরিসীম। অনেক ধরনের উপাদান রয়েছে যেমন কাঠ বাদাম, চিনাবাদাম, কাজু বাদাম ,আখরোট বাদাম, পেস্তা বাদাম, প্রায় সব ধরনের বাদাম ই স্বাস্থ্যকর যা শরীরের জন্য বিশেষ উপকার করে থাকে। বাদামে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন ,ফাইবার ,ক্যালসিয়াম, আয়রন, সোডিয়াম ,পটাশিয়াম সহ অনেক ধরনের ভিটামিন রয়েছে যা শরীর দুর্বলতার রাস করা সহ আরও অনেক উপকার করে।

সব বয়সের মানুষ বাদাম খেতে পারে, তবে ছেলেদের জন্য প্রতিদিন প্রয়োজন যদি শরীর সুস্থ এবং সবল রাখতে চাই।

বাদামের প্রধান উপকারিতা:

রোগ প্রতিরোধ এবং শরীরে প্রচুর শক্তি বাড়ায় ত্বকের উজ্জ্বলতা এবং চুলের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে। ক্যান্সার প্রতিরোধ করে এবং হার্টকে সুস্থ ও সবল রাখে।

টমেটো 

টমেটোর রয়েছে অনেক আশ্চর্যজনক উপকারিতা, আমার প্রতিদিন নিয়মিত ভাত খেয়ে থাকি আর সেটার অন্যতম ভালো ও রুচিশীল খাবার হচ্ছে টমেটো। টমেটো একটি জনপ্রিয় সবজি যা বাংলাদেশের বাজারে বেগুন নামেও পরিচিত, এতে প্রচুর পরিমাণে পুষ্টি রয়েছে, এটি কাঁচা এবং রান্না দুভাবেই খাওয়া যায়। বেশিরভাগ মানুষ টমেটো দিয়ে সালাদ বানিয়ে খেতে পছন্দ করেন এবং অনেকেই রান্না করে খেতেও পছন্দ করে।

তবে যেভাবেই হোক দিনে অন্তত পক্ষে একটি টমেটো খাওয়ার চেষ্টা করবেন, ফলে যথেষ্ট পরিমাণে শরীর সুস্থ থাকবে।

টমেটোর উপকারিতা:

  • বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধ করে এবং খাওয়ার রুচি বৃদ্ধি করে
  • কিডনিতে পাথর জমা রোধ করে এবং পাকস্থলী পরিষ্কার রাখে
  • ত্বক সুস্থ রাখতে এবং দেহের হাড় মজবুত রাখতে সহায়তা করে।

মাছ 

মাছ বাংলাদেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় একটি খাবার তবে এখনো অনেক লোক রয়েছে যারা মাছ খেতে পছন্দ করেন না, হ্যাঁ মাছের উপকারের পাশাপাশি কিছু ক্ষতিকর দিক রয়েছে তবে সব মাছ না, সামুদ্রিক মাছে ওমেগা ৩ ফ্যাটি এসিড থাকে তাই সামুদ্রিক মাছ কম খাওয়া উচিত। কিছু কিছু মাছ আছে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন, খনিজ ,তেল, আয়রন, ক্যালসিয়াম, ফসফরাস এবং ভিটামিন সি রয়েছে প্রায় শতকরা ২০ ভাগ আমিষ পাওয়া যায় মাছে।

পুষ্টিবিজ্ঞানী চিকিৎসকরা বলে থাকেন প্রতিদিনের খাবারের তালিকায় একটি বার হলেও কোনো না কোনো মাছ থাকা দরকার, বিশেষ করে ছোট মাছ কারণ ছোট মাছে রয়েছে অনেক ক্যালসিয়াম ও বিভিন্ন ধরনের পর্যাপ্ত ভিটামিন।

মাছের প্রধান উপকারিতা:

  • স্ট্রোক প্রতিরোধ করতে সহায়তা করে।
  • হজমশক্তি বাড়ায় এবং স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি করে। 
  • বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধে ব্যাপক ভূমিকা রাখে।

এছাড়া আরও স্বাস্থ্যকর অনেক খাবার (healthy food) রয়েছে এবং সেগুলোও মাঝে মাঝে খাওয়া দরকার কিন্তু প্রতিদিন এই খাবারগুলো অবশ্যই খেতে হবে, খাওয়ার চেষ্টা করতে হবে। এখানে প্রত্যেকটি খাবারের মধ্যে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন প্রোটিন ,আয়রন ,ফসফরাস ,ক্যালসিয়াম, পটাসিয়াম , সহ আরও অনেক ধরনের পুষ্টিকর উপাদান। প্রতিদিন না খেতে পারলে কমপক্ষে দুই থেকে তিনদিন পর পর অবশ্যই হওয়া উচিত। আসলে আমরা অনেকে পুষ্টিহীনতায় ভুগি ঠিকমতো স্বাস্থ্যকর খাবার খাই না, প্রতিদিনের খাবারের তালিকা এরকম খাবার রাখি না কিন্তু চাই স্বাস্থ্যবান হতে। এই পুষ্টিহীনতা দূর করতে শরীর এবং মনকে প্রফুল্ল সুস্থ রাখতে উপরের দশটি স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া হচ্ছে সবচেয়ে সর্বোত্তম উপায়।

আশাকরি এই তথ্যগুলো থেকে অনেক কার্যকরী উপায় জানতে পেরেছেন যা আপনার শরীরকে উন্নত করতে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে এবং স্বাস্থ্যকে উপযুক্ত রাখতে যথেষ্ট ভূমিকা রাখবে।

আরও জানতে ভিজিট করুন হেল্‌থ টিপস এরিয়া ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *